ব্রেকফাস্টে পাউরুটিতে জ্যাম মাখিয়ে খান? কোনও ভুল করছেন না তো!
1 min read
আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা দিনের শুরুতে জলখাবারে জেলি দিয়ে পাউরুটি খান কিংবা খালি পেটে মধু দিয়ে রসুন খান। পেট ভরাতে, শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে এমন অনেক খাবার আমরা খেয়ে থাকি। কিন্তু কোন খাবার আমাদের জন্য উপকারী আর কোনটা শরীরের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলছে, এটা অনেকেই জানি না।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েও শরীরে গোলমাল দেখা দিচ্ছে। এটা হল ভুল খাবারের সংমিশ্রণের কারণে ঘটে। আবার অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হজম ক্ষমতার জন্যও কিছু কিছু খাবারের সংমিশ্রণ শরীরের উপর প্রভাব ফেলে। আমরা সকলেই সুস্থ জীবনযাপন করতে চাই। এর জন্য কোন খাবারের সংমিশ্রণগুলো এড়িয়ে চললে ভাল, জেনে নিন…
জ্যাম ও পাউরুটি- ব্রেকফাস্টে অনেকেই পাউরুটিতে জ্যাম মাখিয়ে খান। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই খাবারের সংমিশ্রণ শরীরের জন্য ভাল নয়। পাউরুটিতে প্রোটিন ও ফ্যাট কম রয়েছে এবং কার্ব বেশি মাত্রায় রয়েছে। অন্যদিকে, জ্যামের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে চিনি রয়েছে যা আপনাকে এক ঘণ্টার জন্য শক্তি প্রদান করতে পারে। কিন্তু তারপরেই আপনার খিদে পাবে এবং মেটাবলিজম ধীর হয়ে যাবে। পরবর্তীকালে এটি পেটের সমস্যা তৈরি করবে।
চা কিংবা কফির সঙ্গে পালং শাকের পরোটা- পরোটার সঙ্গে চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস বাঙালির বেশ পুরনো। এখন শীতের মরশুমে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে পালং শাকের পরোটাও নিশ্চয়ই রাঁধছেন। কিন্তু তা বলে পালং শাকের পরোটার সঙ্গে চা-কফি পান করবেন না। এতে শরীরে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। চায়ের মধ্যে পলিফেনল ও ট্যানিন এবং কফির মধ্যে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রয়েছে, যা শরীরকে আয়রন শোষণে বাধা দেয়। অন্যদিকে পালং শাক আয়রন সমৃদ্ধ। সুতরাং, এই সংমিশ্রণ আপনার শরীরে পুষ্টি ঘাটতি তৈরি করতে পারে।
দুধের সঙ্গে ফল- দুধ ও ফল দুটোই কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবার। কিন্তু এই দুটো একসঙ্গে খেলে আর ‘স্বাস্থ্যকর’ থাকবে না। অনেকেই দুধে বিভিন্ন ফল দিয়ে স্মুদি বানান। এই ভুল একদম নয়। বিশেষত লেবু জাতীয় ফল, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল দুধের সঙ্গে খাবেন না। এতে দুধ এবং ফল উভয়েরই পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
পিত্জার সঙ্গে সোডা- পিত্জা অর্ডার করার সঙ্গে এক বোতল ঠান্ডা সোডাযুক্ত পানীয়ও অর্ডার করে দেন। এই ভুল আমরা প্রায়শই করে থাকি। কিন্তু এটা আমাদের শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। পিত্জার সঙ্গে সোডাযুক্ত পানীয় আমাদের হজম স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। এতে হজমশক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
