East Bengal: এগিয়েও তিন গোল হজম, ওড়িশার কাছে হার ইস্টবেঙ্গলের
1 min read
ইস্টবেঙ্গল – ১ (ক্লেইটন)
ওড়িশাএফসি – ৩ (মরিসিও-২, নন্দকুমার)
আবার হার। শনিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসির কাছে ১-৩ গোলে হেরে গেল ইস্টবেঙ্গল। ক্লেইটন সিলভার গোলে এগিয়েও তিন গোল হজম করল স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের দল। ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের ন’নম্বরে লাল হলুদ। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এল ওড়িশা। ভাগ্য যেন কিছুতেই সঙ্গ দিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গলের। আজ অঙ্কিত মুখার্জির ন্যায্য গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। সেই সময় গোলটা হলে বিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারত লাল হলুদ। এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার সম্ভাবনাও ছিল।
ওড়িশার বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের স্ক্রিপ্ট যেন বরাবরই এক। প্রথমে এগিয়েও গোল হজম। ঘরের মাঠেও তাই হয়েছিল, বাইরেও ব্যতিক্রম নয়। চলতি আইএসএলে চার ম্যাচ জয়। ইস্টবেঙ্গলের সেরা পারফরম্যান্স। তাই ভরপুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে ঘরের মাঠে নেমেছিল লাল হলুদ। ম্যাচের ১০ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন ক্লেইটন সিলভা। অ্যালেক্স লিমার থেকে বল পেয়ে গোলকিপার অমরিন্দর সিংয়ের মাথার ওপর দিয়ে পারফেক্ট চিপে গোল করেন ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার। চলতি আইএসএলে আট গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবাইকে ছাপিয়ে একনম্বরে চলে গেলেন ক্লেইটন।
কিন্তু গোল ধরে রাখতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ২২ মিনিটে ১-১ করেন দিয়েগো মরিসিও। রেনিয়ার ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে ম্যাচে সমতা ফেরান ওড়িশার ফরোয়ার্ড। অবশ্য তার আগেও গোলের সুযোগ পেয়েছিল তাঁরা। নিশ্চিত গোল বাঁচান জেরি। কিন্তু বেশিক্ষণ ক্লিনশিট রাখতে পারেনি লাল হলুদ। বিরতির আগেই দ্বিতীয় গোল হজম করে ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময় বাঁ দিক থেকে ক্রস তোলার চেষ্টা করেন নন্দকুমার। কিন্তু তাঁর বাঁ পায়ের শট সরাসরি গোলে ঢুকে যায়। দর্শকের ভূমিকায় লাল হলুদ কিপার শুভম সেন। প্রথমার্ধে ক্লেইটনের গোলটা ছাড়া ইস্টবেঙ্গলের কোনও উল্লেখযোগ্য মুভ নেই। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে ওড়িশা। একবার সাইড নেটে মারেন মরিসিও। কিন্তু ব্যবধান আরও বাড়াতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে রেনিয়ার ফার্নান্দেজের পাস থেকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে ৩-১ করেন মরিসিও। ৬০ মিনিটের মাথায় হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল ব্রাজিলিয়ানের। কিন্তু তাঁর শট ফিস্ট করে বাঁচান ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার শুভম সেন। গোলের সুযোগ এসেছিল লাল হলুদের সামনেও। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে হাওকিপের শট বাঁচান অমরিন্দর। ৮৫ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু অঙ্কিত মুখার্জির গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় অফসাইড ছিল না। আরও একবার লাইনসম্যানের ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হল ইস্টবেঙ্গলকে।
