Jun 14, 2026 8:23PM

UtkalBongo Store

Powered By UB Media

সবেমাত্র খুদেগুলো ক্লাসরুমে ঢুকছে, হঠাত্‍ই আর্তনাদ, স্কুলের ভিতর থেকে উড়ে গেল ফুটন্ত ভাতের ফ্যান

1 min read

মুর্শিদাবাদ: স্কুলের বাচ্চারা তখন অভিভাবকদের হাত ধরে স্কুলে আসা শুরু করেছে। পিছন থেকেই ব্যাপক চিত্‍কার চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পারছিল তারাও। রান্নার দিদিরা তখন একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করছেন। বাচ্চারা দাঁড়িয়ে কিছুটা দেখছিলও। অভিভাবকরা টেনে স্কুলে ঢুকিয়ে দেন। কিন্তু তারইমধ্যে আচমকা মারাত্মক আর্তনাদ।

গা হাত পা জ্বলে যাচ্ছে বলে চিত্‍কার করতে থাকেন অনেকে। আর্তনাদ শুনে ছুটে আসেন স্কুলের বাকি কর্মীরাও। পরিস্থিতি তখন মারাত্মক জটিল। মিড ডে মিল নিয়ে বচসার জেরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ফুটন্ত গরম জল, ভাতের ফ্যান ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়। মিড ডে মিলের রান্নাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ব্লক ২ এর অন্তর্গত নসিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা রান্না করেন। তাঁরা একটি রুটিন মানেন। সেই রোটেশন অনুযায়ী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কাজ করে থাকেন। অভিযোগ, সেখানে জনা কয়েকজনকে দিয়েই স্থায়ীভাবে কাজ করানো হচ্ছে। শেষ কয়েকদিনে ২০ জন মহিলা এক নাগাড়ে কাজ করছেন। ফলে বাকিরা আর সুযোগ পাননি। এই নিয়েই চাপা অসন্তোষ ছিল।

মঙ্গলবার সকালে ওই মহিলারা যখন রান্না করছিলেন, তখন অপর এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা এসে বাধা দেন। দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। কথা কাটাকাটির ফাঁকেই ভিতর থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দিকে কেউ গরম জল ছুড়ে মারে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দুপক্ষের বচসা আরও চরমে ওঠে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আক্রান্ত এক মহিলা বলেন, “আমার মুখের ওপর গরম জল ঢেলে দিয়েছে। আগে আমরা রান্না করতাম। এখন আর রান্না করতে দিচ্ছে না। ওরাই একভাবে রান্না করে যাচ্ছে। এই কথাটা বলতে গিয়েই অশান্তি হয়।” আরেক পক্ষের মহিলা বলেন, “আমাদের রান্না নিয়ে ঝামেলা। আমরা স্যরকে বিষয়টা জানিয়েছি। ব্লকেও বিষয়টা জানানো হয়েছে।” এখনও পর্যন্ত ব্লক আধিকারিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Bangla Plus HD

About Author

More Stories

Copyright © All rights reserved. | UB Media
error: Content is protected !!
Shares
Hide picture