কবে থেকে মিলবে কোভোভ্যাক্স বুস্টার, বুধবারই সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র
1 min read
কবে থেকে পাওয়া যাবে নতুন বুস্টার টিকা কোভোভ্যাক্স (Covovax Booster), আগামী কাল, বুধবারই বৈঠক করে তা নির্ধারণ করবে কেন্দ্র (Centre to decide tomorrow)। ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা আগেই জানিয়েছিলেন, দ্রুতই মিলবে নতুন টিকার অনুমোদন। বস্তুত, জরুরি ব্যবহারের জন্য একবছরেরও বেশি সময় আগে কোভোভ্যাক্সকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এবার খুব তাড়াতাড়িই তা মিলবে বুস্টার ডোজ হিসেবে। সিরামের দাবি, কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিনের চেয়েও বেশি কার্যকর বুস্টার ডোজ হবে এই কোভোভ্যাক্স, কারণ এটি ওমিক্রনের বিরুদ্ধে খুব ভাল কাজ করে।
প্রোটিন ভ্যাকসিন কোভোভ্যাক্স। এই টিকার ফর্মুলা মার্কিন কোম্পানি নোভোভ্যাক্সের তৈরি। ভারতে এই টিকা তৈরি ও ট্রায়াল করেছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট। করোনাভাইরাসের জিনের এমন একটা অংশকে বেছে নিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে যা ভাইরাল প্রোটিনকে চিনে রাখতে পারে। সেই জিনের অংশ ব্যাকুলোভাইরাস নামে এক ধরনের ভাইরাসে ঢোকানো হয়েছে। এই ব্যাকুলোভাইরাস কীটপতঙ্গের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। এটিকে গবেষণাগারে বিশুদ্ধ করে তবেই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। মথের কোষে ভ্যাকসিন ইনজেক্ট করে দেখা গেছে সেটি এমন প্রোটিন তৈরি করে যা সার্স-কভ-২ ভাইরাসেরই মতো। শরীর এই প্রোটিন চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স তৈরি হয় শরীরে।
ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ম্যাট্রিক্স এম নামক অ্যাডজুভেন্ট যোগ করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন করোনার স্পাইক প্রোটিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। দেহকোষের ACE-2 রিসেপটরের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি যুক্ত হতে পারে। শরীরে ইনজেক্ট করলে খুব তাড়াতাড়ি দেহকোষের রিসেপটরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। ফলে করোনার স্পাইক প্রোটিন আর দেহকোষের রিসেপটরকে খুঁজেই পাবে না। কোষে ঢুকতে না পারলে সংক্রমণ ছড়াতেও পারবে না ভাইরাস।
